Wednesday, March 28, 2012

I know who is Next Internet Giant

In my time, I could see three Internet giant. They are described below from my point of view.

First Giant: Yahoo!
When Yahoo! came, there were some scattered online directories, email services and messenger services. They defeated them by making all services together. They built a hub of directories and offered free limited space Email and Messenger service to grab interest of huge number of people.

Second Giant: Google
At time when google was founded, they came with different idea of Internet Directory. They made a smart search engine, where people can easily search what he needs from Internet. And google became the best alternative of directories. They made their business by inventing smart Internet Advertising Network. Then, they are expanding their business by acquisition of new Ideas.

Third Giant: Facebook
Facebook came with the idea "Connectivity". Not on-demand connectivity as Email or messenger, they made almost permanent connectivity media. A new era began, the era of "Social Media". They could put the people of same interest connected.

There were more other big companies exist, but these three I have described, they could grab user's interest by being the hub for getting services of other companies. At yahoo's time, people came to Yahoo, and Yahoo led them to the service (whether it is their own or 3rd party) they needed. Google make it easier to find anything over Internet and facebook made a platform for users to cooperate themselves to get or do anything.

Once directories were the center, then search engines led and now it's time of social media. But, none of them could substitute each other. Importance of them couldn't be reduced. Each of them are being used by users parallel manner. So, it is obvious that, if anything become the hub of these giants, then it will be the next giant. May be Sumazi could realize this thing and trying to make it gradually. I have seen their beta version, it is helping the user to be introduced with persons related to his interest of a particular instance of time with particular type of problems. But, it is not enough.

The next giant will be able to establish communication between users and information, persons and services for a particular instance of time and situation. People will not have to think about keywords for finding his required information from web, and he will just get the result based on his activities.

Sunday, March 11, 2012

ঢাকা চলো কর্মসূচিতে অংশগ্রহনকারীদের জন্যে দরকারী টিপস্

ঢাকা চলো প্রতিরোধে পুলিশ ও সরকারী দলের সন্ত্রাসীরা গত কয়েকদিন ধরেই মাঠে আছে। তাদের চোখকে ফাঁকি দিয়ে এবং কোন রকম ঝুট-ঝামেলা ছাড়াই কর্মসূচিতে অংশগ্রহনের ক্ষেত্রে নিচের টিপসগুলো বেশ কাজে দিতে পারে।

পোষাক ও মেকআপ টিপস:
চেষ্টা করুন পোষাক-আষাকে আপনাকে যাতে অনেকটাই সরকারী দলের লোকজনের মত লাগে। বয়সে আপনি যদি তরুন হন, তবে টাইট ময়লা জিনস, বদখত টিশার্ট, ক্লিন শেভড আর হালকা মেকআপ নিয়ে নিজেকে দেখতে এলাকার বদমায়েশ/ঝামেলাবাজ লোকজনের মত করে ফেলুন। আর বয়স বেশি হলে মুজিব-কোট পরিধান করে বেরুতে পারেন।

মিছিলে জয়-বাংলা বলুন
মিছিল নিয়ে পাড়া মহল্লা থেকে বেরুবার সময় এবং পুলিশ-টুলিশের সামনে জোরে জোরে জয় বাংলা বলে চিৎকার করুন। যে রকম কড়া পাহারা দেখলাম, তাতে মনে হয় মিছিল না করে সবাই মিলে মাটি খুঁড়ে সুড়ঙ্গ দিয়ে সমাবেশ স্থলে আসতে পারলে ভাল হয়।

মার খাবার প্রস্তুতি
পুলিশ আর সরকার দলের সন্ত্রাসীরা ইতিমধ্যেই তাদের লাঠি, অস্ত্র -শস্ত্র শান দিয়ে রেখেছে, এবং ব্যাপক পিটনির জন্যে প্রস্তুত হয়ে আছে। তো মনে রাখবেন আপনার খবর আছে। তাই মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকুন। ব্যপক পিটনি খেতে হতে পারে, জীবনও চলে যেতে পারে।

মহাপুরুষ হবার চিন্তা দুরে রাখুন
আজকের সমাবেশ বা মিছিলে মহাপুরুষের ভূমিকায় অবতীর্ন হতে চেষ্টা করবেননা অথবা ভুলেও দলছুট হবেননা। আওয়ামী লীগ এ ধরনের মহাপুরুষদের লাশের উপর লাফাতে পছন্দ করে।

সর্বোপরি, আল্লাহ বাংলাদেশের জনগনকে বিতাড়িত শয়তান এবং আওয়ামী লীগের ক্ষতিকারকতা থেকে রক্ষা করুন। আমীন।

Saturday, December 31, 2011

মুসলমানদের জন্যে একটা বৈষম্যহীন ভূমির দাবীতেই তৈরী হয়েছিল পাকিস্তান

বিংশ শতাব্দির ত্রিশের দশক তখন ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাষনের শেষ যূগ চলছিল প্রায় তিরিশ কোটি জনসংখ্যার ভারতে মুসলমানদের সংখ্যা ছিল অত্যন্ত নগন্য শুধু সংখ্যায়ই নয়, আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটেও মুসলমানদের অবস্থান পৌছে গিয়েছিল সমাজের সর্ব নিম্ন স্তরে জমিদার বাড়ির দফতর থেকে শুরু করে গ্রামের প্রত্যেকটি গুরুত্বপুর্ন পদ যেমন, মোড়ল-মাতব্বরি সবই ছিল হিন্দুদের দখলে যদিও ভারতবর্ষের এদিকটায় মানে বাংলাদেশের অনেক জেলাতেই মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল, কিন্তু প্রভাব প্রতিপত্তিতে সবখানে হিন্দুদের দাপটই ছিল সবচে বেশি

সে সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের ভেতর গোত্রভেদ এবং অহংকার ছিল মাত্রাতিরিক্ত তাদের নিজেদের মধ্যেই জাত নিয়ে প্রচন্ড দ্বিধাবিভক্তি ছিল, উঁচু জাতের মানুষ নিচু জাতের ছায়া মাড়াতেও পছন্দ করত না আর মুসলমানদেরকে তারা তাদের সবচে নিচু জাতের চেয়েও খারাপ চোখে দেখত হিন্দুদের বাড়িতে মুসলমানদেরকে কখনোই চেয়ারে বসতে দেবার রেওয়াজ ছিল না এমনকি তাকে পিঁড়ি কিংবা চট এগিয়ে দিয়ে বসতেও বলা হত না বরং প্রয়োজনে হিন্দু গেরস্ত হয়ত মুসলমান অতিথিকে অনেকটা আদেশের ভঙ্গীতেই পাশ থেকে চট বা পিঁড়ি টেনে নিয়ে বসতে বলতেন শুধু যে অবস্থাপন্ন হিন্দু পরিবার দরিদ্র মুসলমানের সাথে এ ধরনের আচরন করত তা নয়, বরং প্রত্যেক হিন্দু পরিবারই অপেক্ষাকৃত ধনী মুসলমান অতিথিদের সাথেও এধরনের আচরনে অভ্যস্ত ছিল


জমিদার বাড়িতে কিংবা গুরুত্বপুর্ন সরকারী পদ এবং গ্রামের মাতবর শ্রেনীর পদবীগুলোর পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবেও প্রাধান্য বেশি পেতেন হিন্দুগন এবং এসব হিন্দু শিক্ষকগনও শিক্ষার্থীদের মধ্যে হিন্দু-মুসলিম ভেদাভেদ পছন্দ করতেন তাঁরা হিন্দু ও মুসলিমদের জন্যে শ্রেনীকক্ষে ভিন্ন ভিন্ন বসার স্থান নির্ধারন করে দিতেন কেউ কেউ আবার মুসলিমদের জন্যে কেবল শ্রেণীকক্ষের একদম পেছনের বেণ্চগুলো নির্ধারন করে দিতেন শুধু শ্রেনীকক্ষে বসার স্থানের ব্যাপারেই নয়, বিদ্যালয়ে সকল ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হতে হত সংখ্যালঘু মুসলিম শিক্ষার্থিদের

অধ্যাপক মোহাম্মদ মতিউর রহমান (সাবেক অধ্যাপক, বাঙলা বিভাগ, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি) তাঁর ছেলেবেলার একটা ঘটনার কথা বললেন উল্লেখ্য উনার জন্ম সেই তিরিশের দশকেই তিনি কোন একদিন বিদ্যালয় থেকে তাঁর সহপাঠিদের সাথে একসাথে বাড়ি ফেরার পথে ঘটনাক্রমে হিন্দু জমিদারের কলাগাছ থেকে একটা কলা ছিড়েছিলেন কেমন করে যেন সেই খবর চলে গেল জমিদারের কাছে সেদিনই হিন্দু জমিদার তার লোকজন পাঠিয়ে মুসলমানের ছেলের হাতের ছোঁয়া লাগা গাছটিকে উপড়ে ফেলে দিলেন সেই সময়কার হিন্দু মহল এতটাই ঘৃণা করতেন মুসলমানদের

বৈষম্যের হাত থেকে বাঁচতেই মুসলিম নের্তৃবৃন্দ বহুবার দাবী তুলেছিলেন একটি সম্পুর্ণ আলাদা মুসলমান প্রধান ভূমির জন্যে এ দাবীর ফলশ্রুতিতে বঙ্গভঙ্গ হলেও পরে তা শক্তিশালী হিন্দু নের্তৃত্বের প্রভাবে রদ হয়ে গেল আমরা মুসলিমরা পিছিয়ে ছিলাম, পিছিয়েই রইলাম ব্রিটিষ শাষিত ভারতে সবচে ক্ষতিগ্রস্ত এবঙ বৈষম্যের শিকার হয়েছিল মুসলিমগন আর তাই ব্রিটিষ বিরোধী আন্দোলনে যতটা না ভূমিকা রেখেছে হিন্দুগন, তারচে বেশি ভূমিকা ছিল মুসলমানদেরই শেষ পর্যন্ত ব্রিটিষরা ভারত ছাড়তে রাজী হল এবং তারা হিন্দু ও মুসলিমদের জন্যে আলাদা রাষ্ট্রেও রাজী হল প্রথম দিকে লাহোর প্রস্তাবে হিন্দুপ্রধান ও মুসলিম প্রধান দুধরনের রাষ্ট্রের আলোচনায় অপেক্ষাকৃত বেশি মুসলিমের ভূমি বাংলাকে সম্পুর্ন স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে মর্যাদা দেবার কথা হলেও ব্রিটিষরা কিছুতেই রাজী হলনা আবার জওহরলাল নেহেরুদের এক অখন্ড ভারতের দাবীও ব্রিটিষ সরকার মেনে নেয়নি এর প্রেক্ষিতে তৈরী হল ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি রাষ্ট্রের

ভারত কখনোই পাকিস্তানের স্বাধীনতা মেনে নেয়নি, এবং হিন্দু নের্তৃবৃন্দ এই ভারত বিভাগকে একটি সাময়িক সমাধান বলে আখ্যায়িত করে এবং সেই সাথে তারা তখন আশা পোষন করেছিল যে, অচিরেই তা আবার অখন্ড ভারতে রুপান্তর হবে তারা কেবল আশা পোষন করেই থেমে থাকেনি, বরং সেই তখন থেকেই তাদের আশাকে বাস্তবে রুপান্তর করার জন্যে নিরন্তর চেষ্টা চালাতে থাকে স্থান, প্রকৃতি ও ভাষাগত মিল থাকায় পূর্ব পাকিস্তানকেই অখন্ড ভারতের স্বপ্নের সহজ টার্গেট করে ভারত ভারতবর্ষের মুসলিমগনের পূর্ব পুরুষ ছিল ভারতীয় হিন্দুদের একই ধর্মের মানুষ এখানকার মুসলমানদের ইতিহাস ও সংস্কৃতি খুব বেশি পুরোনো নয় মাত্র ১২০০ বছরের ইসলামের অনুশীলন তাদের তাই ভারতীয় চক্র এদেশের মানুষকে তার পুরোন সংস্কৃতি স্মরণ করিয়ে দিতে সবসময়ই সচেষ্ট রয়েছে এভাবে যদি তারা বাংলার মুসলমানদেরকে ইসলামী সংস্কৃতির পরিবর্তে সনাতন ধর্মীয় সংস্কারে ফিরিয়ে নিতে পারে তবেই আর বিভক্ত রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তা হারাবে এই রকম পরিকল্পনা নিয়েই ষাটের দশক থেকেই ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র নিজেদের অর্থে গড়ে তুলতে থাকে ছায়ানট এবং উদীচি সহ বহু সাংস্কৃতিক সংঘ

ভারতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উদিচী কিংবা ছায়ানট আজ যথেষ্টই সফল আজকাল দেশে অগ্নী উপাসনা কিংবা মূর্তিপূজাকে সার্বজনীন করে ফেলা হয়েছে এখন হিন্দু আচারগুলো ধীরে ধীরে মুসলমানদের দ্বারা অনুশীলন করানো হচ্ছে আমরা দেখি অনুষ্ঠানের শুরুতে সনাতন ধর্মের আচার অনুযায়ী মোমবাতি জ্বালানো হয় এমনকি দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে পুরনো রোমান পৌত্তলিকদের মত করে জ্বালিয়ে রাখা আছে "শিখা অনির্বাণ" অনেক জায়গায় ধর্মীয় গ্রন্থের পরিবর্তে গান গেয়ে অনুষ্ঠান শুরু করা হয় কপালে হিন্দুদের মত করে তীলক পরার সংস্কৃতি ইতিমধ্যেই চালু হয়ে গেছে নারীদের কপালের টিপ তো অনেক আগেই নিত্য নৈমিত্তিক হয়ে গিয়েছে একসময় বাংলা নববর্ষকে আমরা বরণ করে নিতাম হালখাতা কিংবা মিলাদ-মাহফিল দিয়ে আর এখন তা সার্বজনীনভাবে মূর্তি, পুতুল নিয়ে মিছিল করে গান গেয়ে বেহায়াপনা করে বরণ করি আগে মুসলমান সাহিত্যিকের লেখা গল্প কবিতাকে সহজেই হিন্দু সাহিত্যিকদের লেখা গল্প কবিতা থেকে আলাদা করা যেত, এখন আর তা সম্ভব হয়না মানিক বন্ধোপাধ্যায় আর মীর মোশাররফ আলীর লেখনীর পার্থক্য খুব সহজেই আমরা বুঝতে পারি কিন্তু আজকের সাহিত্যিকগনের লেখা পড়ে বোঝা মুশকিল কে যে কোন সংস্কৃতির বাহক আজকাল মুসলিম সাহিত্যিকগনও পানিকে জল বলে সম্বোধন করেন আর খোদাকে ইশ্বর বা ভগবান কিংবা সর্বোচ্চ হয়ত স্রষ্টা বলে ডাকতে পছন্দ করেন জাতিস্বত্বার পরিচয় ভূলিয়ে দেবার ষড়যন্ত্রে তারা কতখানি সফল তা বুঝতে আর বাকি থাকার কথা নয় এভাবে ধীরে ধীরে মুসলিমদের জাতিস্বত্বা তিন হাজার বছরের পুরোন বাঙালী সংস্কৃতির (যা মূলত: হিন্দু/সনাতন ধর্মীয় সংস্কৃতি) দ্বারা হারিয়ে যেতে বসেছে যতই আমরা আমাদের মুসলমানদের নিজস্ব সংস্কৃতি ত্যাগ করে হিন্দু সংস্কৃতিতে হারিয়ে যাব, ততই বাংলাদেশ তার নিজস্ব স্বকীয়তা হারাবে এবং যেমনটা সিকিম এখন ভারতের একটি রাজ্যে পরিণত হয়েছে, তেমনি সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের বাংলাদেশও অখন্ড ভারতের অংশে পরিণত হবার পথে এগিয়ে যাবে

Tuesday, December 27, 2011

Back to Linux, Hope Not Leaving Soon

2007, felt need of learning Linux operating system first time. Went out to have a disk, searched local CD shops, at last found "Mandriva Linux". This was the first distribution of Linux I have used. Mandriva was not only good, it was great. It's installation and graphical operating was easiest than windows and other linux distribution that time. Gradually, installed redhat, fedora, puppy etc. Once, it became a habit to setup pc three times a day with different versions of linux distributions. I can remember, I tasted about ten-eleven versions of Puppy Linux, these were light and fast operating systems.

Ubuntu is one of the most popular distribution of Linux. The day when I got a "Ubuntu" CD shipped from Netherlands, my joy felt really no bound. Got three stickers also with the package. My PC became Ubuntu PC from that day. It remained lots of days, but I had to change operating system several times because of my computer courses. Most of our teachers taught us programming languages in Windows environment, so, we had to come back to windows again and again. When I bought a notebook for first time, windows 7 was provided as default, And I didn't install any OS to it for making sure it's safe use. But, from about a week ago, my notebook hanged for several times, and it let me force shut down every time when it hanged itself. It made me so annoyed and helped me to come back to Linux.

Last week I have downloaded Ubuntu 11.10 and made a pen drive bootable for this. Installed it, and became astonished to see the changes of Ubuntu. It became more user friendly and graphically fabulous. I have already made my PC completely ready for database application development by installing Lampp and also made it ready for Graphic Programming on C++ platform using OpenGL. Hope, I am not giving up this soon.

Saturday, December 3, 2011

Egyptian Muslims and Christians




Christians of Egypt were trying to protect Muslim protesters when they were saying prayer during the protest.

Tuesday, October 25, 2011

AI Compiler LISP's Creator, John McCarthy died 24th October


Father of Modern Artificial Intelligence, John McCarthy died yesterday, 24th October. He died at his age of 84 years. He created the artificial intelligence programming language LISP. He studied Mathematics with Nobel Prize winner John Nash at Princeton University.

He has great career and achievements in science and mathematics. He arranged a chess match between scientists of US and USSR where he used telegraph technology transmitting the moves on that match. He is the owner of the lab "Siri" where he tried to give opportunities to genius scientists to explore new things in a free style. He spent his whole life to make AI more interactive and he had worked hard to make it real. He created LISP when he was creating Turing Machines for embedded systems. Most of the computer giants used his technologies and made their computing products user friendly and interactive with user's according to their own behavior. He also contributed lot to make Internet technology improved as we can see today.

John McCarthy was born in 1927 in Boston. He had lots of interest in mathematics and he tried to learn higher mathematics in his own. He achieved Ph.D from Princeton in 1951. He won the Turing Award from the Association for Computing Machinery in 1972 and the National Medal of Science in 1991. Her daughter confirmed his death informally and today Stanford has confirmed it officially.

Friday, October 21, 2011

তথ্য প্রযুক্তি কর্মীদের বেতন কাঠামোর অধ:পতন

ভাবতে অবাক লাগে যখন শুনি একজন তথ্য প্রযুক্তি কর্মীকে নিয়োগ দেয়া হয় মাত্র ৬-৭ হাজার টাকা বেতন দিয়ে। আরো অবাক হই যখন দেখি একজন প্রোগ্রামারের বেতনও ঠিক এই কাঠামো দিয়েই শুরু হয়। আর অবাক হবার মাত্রা সীমা ছাড়িয়ে যেতে থাকে যখন দেখি একজনকে প্রোগ্রামার হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তাকে দিয়েই ইন্টারফেস তৈরীর কাজ করিয়ে নিচ্ছেন প্রজেক্ট ম্যানেজার অথবা একজন কে দিয়েই পুরো প্রজেক্টের সবগুলো কাজ করিয়ে নেয়া হচ্ছে। কর্তৃপক্ষকে কিংবা এইসব কর্মীকেও যদি এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয় তবে তাদের উত্তর হয় এরকম, "অভিজ্ঞতা সঞ্চয় চলছে"। কিন্তু আমি জানি একে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় বলে না।

মাঝারী সাইজের কোন সাধারন প্রতিষ্ঠানে একজন আইটি কর্মীকে শুরুতে সর্বনিম্ন বেতন দেয়া হয় পনের হাজার টাকা, যেখানে সেই কর্মীর কাজ কেবল কিছু ট্রাবলশুটিং এবং সেই সাথে তৈরী একটি সফটওয়ার বা ওয়েবসাইটকে দেখা শুনা করা। আর যেসব প্রতিষ্ঠানের কাজ ওয়েব বা ডেস্কটপ সফটওয়ার ডেভলপ করা, সেসব প্রতিষ্ঠানের ডেভলপারগনে বেতন কাঠামোর রয়েছে প্রচন্ড দুরাবস্থা। কিছুদিন আগেও আমরা শুনতে পেতাম, বড়রা বলত, কম্পিউটার ইন্জিনিয়ার হলেই ১০ হাজার টাকা বেতনের চাকরি পাওয়া যায়। আজকে হিসেবে তা প্রায় ২০ হাজার টাকা। কিন্তু ওয়েব এপ্লিকেশন ডেভলপমেন্টের যূগে একজন প্রোগ্রামারকে মাত্র ৬-৭ হাজার টাকা বেতনের চাকরি দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করতে হচ্ছে, তাও যোগ্য এনভায়রনমেন্ট এবং টিম ওয়ার্কের সুযোগ দেয়া হচ্ছেনা। একজন প্রোগ্রামারকে দিয়েই পুরো একটা প্রজেক্টের এ থেকে জেড পর্যন্ত সব কিছু করানো হচ্ছে। এতে এসব প্রোগ্রামার না পাচ্ছে যোগ্য বেতন, না পাচ্ছে টিম প্লেয়ার হিসেবে কাজ করার সুযোগ। সর্বোপরি একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে পারদর্শি হবার তাদের কোন সুযোগ ঐসব প্রতিষ্ঠান করে দিচ্ছেনা।

কম বেতন আর সবকিছু করানোর পেছনে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় কারন নয়, এর পেছনে কারন ঐসব প্রতিষ্ঠানের মালিকদের নিচু ব্যাবসায়িক মানসিকতা। গত ছয়মাসের ঘাটাঘাটি আর অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ঢাকা শহরে এখানে সেখানে যে আইটি কোম্পানীগুলো তৈরী হয়েছে তার ৯০ ভাগের মালিকই আইটি সম্বন্ধে যথেষ্ট জ্ঞানী নন, এবং তারা সত্যিকারের ব্যবসা করতে এ ক্ষেত্রে আসেননি। একজন আলুর ব্যবসায়ীকেও যেখানে কমপক্ষে ১০ লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে মাঠে নামতে হয়, চালের ব্যবসা করতে এলেও ৫০ লাখ নিয়ে নামতে হয়, আর সেখানে সর্বোচ্চ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আইটি কোম্পানী তৈরী হয় মাত্র ২-৩ লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে। তাও আবার যদি একজন সত্যিকারের তথ্য প্রযুক্তি জিনিয়াস যদি অল্প পুঁজিতে নামত তাহলেও সেটি আলাদা রকমের হত, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কিছু কুটিল লোকজন অন্যের ঘাড়ে চড়ে ব্যবসা করতেই মাঠে নেমেছে। একটি ফ্লাট, কয়েকটা কম্পিউটার, আর ইন্টারনেট কানেকশন, সব মিলিয়ে ২ লাখ পুঁজি খাটিয়ে আর ১ লাখ টাকা হাতে রেখে অল্প বেতনে কয়েকজন প্রযুক্তি কর্মী আর দুয়েকজন মার্কেটারকে কে নিয়োগ দিয়ে হাতে লাঠি নিয়েই এসব ব্যবসায়ী ব্যবসা করতে বসে পড়েন। আর তার বেচা বিক্রির সব দায়ভার এদের উপর দিয়ে তাদের নাকের উপর ছড়ি ঘোরাতে থাকেন। কয়টা প্রজেক্ট এল গেল, কত টাকা আয় হল এ নিয়ে প্রোগ্রামারদের পর্যন্ত তটস্থ থাকতে হয়। একজন হতভাগা প্রোগ্রামার একে তো সঠিক বেতন পাচ্ছেননা, সেই সাথে টিম ওয়ার্ক আর পারদর্শিতার সুযোগ পাচ্ছেনা, তার ওপর কেন কোম্পানী এ মাসে আয় করতে পারলা না তার দায়ভারও তাকে নিতে হচ্ছে। একে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীগন হয়ত একে রিয়েল এস্টেট ব্যবসার মত মাছের তেলে মাছ ভাজার মত করে তুলনা দিতে চেষ্টা করবে, কিন্তু আমি একে বলি মাঝির দেহ থেকে তেল নিঙড়ে নিয়ে তা দিয়ে তার নৌকার ইঞ্জিন চালানোয় বাধ্য করা।

প্রোগ্রামারদের এবং প্রযুক্তি কর্মীদের প্রতি আমার অনুরোধ, এমন ধরনের প্রতিষ্ঠানে দয়া করে চাকরি করতে যাবেননা। আপনি যদি অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে চান, তবে ঘরে বসেই নিজে নিজে আউটসোর্সিং করুন, কাজ পাবার পর সেই কাজটুকু শেষ করতে যে না পারার অংশ গুলো আপনার রয়েছে সেটি আপনি গুগলে খুঁজলেই পাবেন। কাজ শেখার ব্যপারে অল্প বেতন দিতে আগ্রহী সেসব কোম্পানী আপনাকে একটুও সাহায্য করবেনা। যদি আপনি একদম নতুন হোন, তবে নিজেই একটি বাস্তবধর্মী প্রজেক্ট হাতে নিন, যতদিনই লাগুক সেটি শেষ করুন, প্রয়োজনে বিশেষ বিশেষ অংশের জন্য আপানার কাছের কোন বন্ধুর সাহায্য নিন। প্রয়োজনে নিজেরাই টিম বানিয়ে প্রফেশনাল কাজ করতে থাকুন। যারা যোগ্য সম্মান দিতে জানবেনা, তাদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই।