Tuesday, October 25, 2011

AI Compiler LISP's Creator, John McCarthy died 24th October


Father of Modern Artificial Intelligence, John McCarthy died yesterday, 24th October. He died at his age of 84 years. He created the artificial intelligence programming language LISP. He studied Mathematics with Nobel Prize winner John Nash at Princeton University.

He has great career and achievements in science and mathematics. He arranged a chess match between scientists of US and USSR where he used telegraph technology transmitting the moves on that match. He is the owner of the lab "Siri" where he tried to give opportunities to genius scientists to explore new things in a free style. He spent his whole life to make AI more interactive and he had worked hard to make it real. He created LISP when he was creating Turing Machines for embedded systems. Most of the computer giants used his technologies and made their computing products user friendly and interactive with user's according to their own behavior. He also contributed lot to make Internet technology improved as we can see today.

John McCarthy was born in 1927 in Boston. He had lots of interest in mathematics and he tried to learn higher mathematics in his own. He achieved Ph.D from Princeton in 1951. He won the Turing Award from the Association for Computing Machinery in 1972 and the National Medal of Science in 1991. Her daughter confirmed his death informally and today Stanford has confirmed it officially.

Friday, October 21, 2011

তথ্য প্রযুক্তি কর্মীদের বেতন কাঠামোর অধ:পতন

ভাবতে অবাক লাগে যখন শুনি একজন তথ্য প্রযুক্তি কর্মীকে নিয়োগ দেয়া হয় মাত্র ৬-৭ হাজার টাকা বেতন দিয়ে। আরো অবাক হই যখন দেখি একজন প্রোগ্রামারের বেতনও ঠিক এই কাঠামো দিয়েই শুরু হয়। আর অবাক হবার মাত্রা সীমা ছাড়িয়ে যেতে থাকে যখন দেখি একজনকে প্রোগ্রামার হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তাকে দিয়েই ইন্টারফেস তৈরীর কাজ করিয়ে নিচ্ছেন প্রজেক্ট ম্যানেজার অথবা একজন কে দিয়েই পুরো প্রজেক্টের সবগুলো কাজ করিয়ে নেয়া হচ্ছে। কর্তৃপক্ষকে কিংবা এইসব কর্মীকেও যদি এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয় তবে তাদের উত্তর হয় এরকম, "অভিজ্ঞতা সঞ্চয় চলছে"। কিন্তু আমি জানি একে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় বলে না।

মাঝারী সাইজের কোন সাধারন প্রতিষ্ঠানে একজন আইটি কর্মীকে শুরুতে সর্বনিম্ন বেতন দেয়া হয় পনের হাজার টাকা, যেখানে সেই কর্মীর কাজ কেবল কিছু ট্রাবলশুটিং এবং সেই সাথে তৈরী একটি সফটওয়ার বা ওয়েবসাইটকে দেখা শুনা করা। আর যেসব প্রতিষ্ঠানের কাজ ওয়েব বা ডেস্কটপ সফটওয়ার ডেভলপ করা, সেসব প্রতিষ্ঠানের ডেভলপারগনে বেতন কাঠামোর রয়েছে প্রচন্ড দুরাবস্থা। কিছুদিন আগেও আমরা শুনতে পেতাম, বড়রা বলত, কম্পিউটার ইন্জিনিয়ার হলেই ১০ হাজার টাকা বেতনের চাকরি পাওয়া যায়। আজকে হিসেবে তা প্রায় ২০ হাজার টাকা। কিন্তু ওয়েব এপ্লিকেশন ডেভলপমেন্টের যূগে একজন প্রোগ্রামারকে মাত্র ৬-৭ হাজার টাকা বেতনের চাকরি দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করতে হচ্ছে, তাও যোগ্য এনভায়রনমেন্ট এবং টিম ওয়ার্কের সুযোগ দেয়া হচ্ছেনা। একজন প্রোগ্রামারকে দিয়েই পুরো একটা প্রজেক্টের এ থেকে জেড পর্যন্ত সব কিছু করানো হচ্ছে। এতে এসব প্রোগ্রামার না পাচ্ছে যোগ্য বেতন, না পাচ্ছে টিম প্লেয়ার হিসেবে কাজ করার সুযোগ। সর্বোপরি একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে পারদর্শি হবার তাদের কোন সুযোগ ঐসব প্রতিষ্ঠান করে দিচ্ছেনা।

কম বেতন আর সবকিছু করানোর পেছনে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় কারন নয়, এর পেছনে কারন ঐসব প্রতিষ্ঠানের মালিকদের নিচু ব্যাবসায়িক মানসিকতা। গত ছয়মাসের ঘাটাঘাটি আর অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ঢাকা শহরে এখানে সেখানে যে আইটি কোম্পানীগুলো তৈরী হয়েছে তার ৯০ ভাগের মালিকই আইটি সম্বন্ধে যথেষ্ট জ্ঞানী নন, এবং তারা সত্যিকারের ব্যবসা করতে এ ক্ষেত্রে আসেননি। একজন আলুর ব্যবসায়ীকেও যেখানে কমপক্ষে ১০ লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে মাঠে নামতে হয়, চালের ব্যবসা করতে এলেও ৫০ লাখ নিয়ে নামতে হয়, আর সেখানে সর্বোচ্চ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আইটি কোম্পানী তৈরী হয় মাত্র ২-৩ লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে। তাও আবার যদি একজন সত্যিকারের তথ্য প্রযুক্তি জিনিয়াস যদি অল্প পুঁজিতে নামত তাহলেও সেটি আলাদা রকমের হত, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কিছু কুটিল লোকজন অন্যের ঘাড়ে চড়ে ব্যবসা করতেই মাঠে নেমেছে। একটি ফ্লাট, কয়েকটা কম্পিউটার, আর ইন্টারনেট কানেকশন, সব মিলিয়ে ২ লাখ পুঁজি খাটিয়ে আর ১ লাখ টাকা হাতে রেখে অল্প বেতনে কয়েকজন প্রযুক্তি কর্মী আর দুয়েকজন মার্কেটারকে কে নিয়োগ দিয়ে হাতে লাঠি নিয়েই এসব ব্যবসায়ী ব্যবসা করতে বসে পড়েন। আর তার বেচা বিক্রির সব দায়ভার এদের উপর দিয়ে তাদের নাকের উপর ছড়ি ঘোরাতে থাকেন। কয়টা প্রজেক্ট এল গেল, কত টাকা আয় হল এ নিয়ে প্রোগ্রামারদের পর্যন্ত তটস্থ থাকতে হয়। একজন হতভাগা প্রোগ্রামার একে তো সঠিক বেতন পাচ্ছেননা, সেই সাথে টিম ওয়ার্ক আর পারদর্শিতার সুযোগ পাচ্ছেনা, তার ওপর কেন কোম্পানী এ মাসে আয় করতে পারলা না তার দায়ভারও তাকে নিতে হচ্ছে। একে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীগন হয়ত একে রিয়েল এস্টেট ব্যবসার মত মাছের তেলে মাছ ভাজার মত করে তুলনা দিতে চেষ্টা করবে, কিন্তু আমি একে বলি মাঝির দেহ থেকে তেল নিঙড়ে নিয়ে তা দিয়ে তার নৌকার ইঞ্জিন চালানোয় বাধ্য করা।

প্রোগ্রামারদের এবং প্রযুক্তি কর্মীদের প্রতি আমার অনুরোধ, এমন ধরনের প্রতিষ্ঠানে দয়া করে চাকরি করতে যাবেননা। আপনি যদি অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে চান, তবে ঘরে বসেই নিজে নিজে আউটসোর্সিং করুন, কাজ পাবার পর সেই কাজটুকু শেষ করতে যে না পারার অংশ গুলো আপনার রয়েছে সেটি আপনি গুগলে খুঁজলেই পাবেন। কাজ শেখার ব্যপারে অল্প বেতন দিতে আগ্রহী সেসব কোম্পানী আপনাকে একটুও সাহায্য করবেনা। যদি আপনি একদম নতুন হোন, তবে নিজেই একটি বাস্তবধর্মী প্রজেক্ট হাতে নিন, যতদিনই লাগুক সেটি শেষ করুন, প্রয়োজনে বিশেষ বিশেষ অংশের জন্য আপানার কাছের কোন বন্ধুর সাহায্য নিন। প্রয়োজনে নিজেরাই টিম বানিয়ে প্রফেশনাল কাজ করতে থাকুন। যারা যোগ্য সম্মান দিতে জানবেনা, তাদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই।

Friday, October 7, 2011

Working with Banking APIs using PHP- Possible but troublesome

RPC is a smart method to interaction between two different process of a same/different system in a secured way. WSDL is a w3 standard for information sharing over internet and soap is also a w3 standard. WSDL and SOAP uses XML as standard for transferring data which helps to communicate two different type of system (example. windows to unix) or two different software of different platforms.

For securing the data manipulated by the clients Banks uses some APIs which uses WSDL and SOAP standards to communicate over http. cURL helps to PHP programmers to make a http request over internet. But working with PHP for this kind of job is not so easy. For other APIs it is not so complicated, but easier. Banks uses more security so programmers should do it carefully to integrate the system with those APIs.

Usually Banks uses two different security system together. They allows only some predefined ip address with defined SSL certificates. Most of them uses pkcs12 formatted SSL, but PHP doesn't like this. For using this format to communicate. Programmers usually breaks this SSL into three different parts of PEM formatted SSL. Then it is verified by cURL codes and then the response could be found from the server. It's complicated.

Sunday, October 2, 2011

Why should we use frameworks for web development?

Web programming, now-a-days it is the biggest field of working for programmers. PHP, Ruby, python etc. are popular languages of web programming. There are some frameworks for developing web programs using PHP, Ruby and Python. Zend, Cake, Codeigniter etc. are popular frameworks of web programming. Ruby-on-rails is the framework for Ruby and Plone is the framework for Python web programming. For developing a web program, it is not a mandatory to use these frameworks, but it is better to use them.

What is client's expectation from programmers?
1. They want fresh working codes.
2. They need codes which will be understandable by other programmers.
3. They need module based codes for easy opportunity to increase or decrease functionality.
4. All of above, they need something smarter.

Are frameworks gives opportunity to fulfill these expectations?
1. Yes, frameworks has a about to standard format of coding (Model-View-Controller).
2. They have a predefined structure, so every programmers can understand where to go for editing or changing a function.
3. Frameworks use Object Oriented Style of programming which allows to divide all modules into pieces.
4. Frameworks help to write codes in smart way but it also waste time of development and execution.

Without framework, is it impossible to write smart codes?
1. No, coding is the art of coders. It should not be predefined. It is obviously possible to write codes better than frameworks.
2. Procedural codes reduces time of development and execution. It is flexible to develop something newer and different without frameworks.
3. Coder can make codes more understandable than frameworks by his own ability.

I prefer not to use frameworks. Because, I can't write codes in a predefined way. I usually like to work for new and different things with new algorithm and new possibilities. So, I don't use any framework. But a new framework or style of coding is established for my own works by my experience. I like to work with that and I will try my best to improve this style.

Thursday, August 25, 2011

একটি কালজয়ী অকালপক্ক রহস্য ছোট গল্প

ঠিক এই জায়গাটিতেই আজ সকালে হার্টফেল করে মারা গেছেন আজগর সাহেব। ঘর থেকে যখন বেরিয়েছিলেন তখনো তিনি সম্পুর্ন সুস্থ, স্ত্রী আর একমাত্র সন্তানের সাথেও বেশ খোশ গল্প করে তবেই ঘর থেকে বেরিয়েছিলেন। মন মেজাজও একদম শান্ত ছিল, প্রতিদিনের মত ঠিক সময়েই অফিসের উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বেরুলেন। লোকাল বাসেই যাতায়াত করেন তিনি, যতই ভীড় থাকুক না কেন, ভীড় ঠেলে বাসে চড়ায় তিনি বেশ ওস্তাদ, ২০-২৫ বছরের অভিজ্ঞতা বলে কথা। আজও কোন ব্যত্যয় ঘটলনা, বাসে উঠলেন, বসার জায়গা পাননি কিন্তু বেশ আয়েশ করে রড ধরে দাঁড়িয়েছিলেন এখানটাতে, কিন্তু তারপরই ঘটল ঘটনাটা। হার্টফেল করলেন এবং সাথে সাথেই মারা গেলেন। সেই জায়গাতেই রাত দুটোর সময় ছালু মিয়া দাঁড়িয়ে এই মৃত্যুর পেছনে অদৃশ্য কোন রহস্যের গন্ধ হাতড়াতে চেষ্টা করছেন।

ছালু মিয়া আজগর সাহেবের অনেক পুরোনো বন্ধু, আসল নাম ছালাউদ্দিন, কিন্তু টাকাওয়ালা ঘরের অকর্মা সন্তান ছালাউদ্দিন বন্ধুমহলে ধীরে ধীরে ছালু মিয়া নামেই পরিচিত হয়ে পড়েছেন। আর তাঁর অকর্মাগিরিতে সবসময় উদারহস্ত সহায়তা করে আসছে ভোলা মিয়া। এই ভোলা মিয়াকে এসিস্ট্যান্ট বানিয়ে এই তো কিছুদিন আগে ছালু মিয়া একটা প্রাইভেট ডিটেকটিভ কোম্পানি বানিয়ে ফেললেন, আজগর সাহেব সেই কোম্পানির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও উপস্থিত হয়েছিলেন আর সেদিন প্রিয় বন্ধুর জন্যে অনেক যত্ন করে শুভকামনা জানিয়ে এসেছিলেন। বন্ধুর মৃত্যুতে ছালু মিয়া একটু অপ্রস্তুতই হয়ে গেলেন, কিন্তু আবার সেই সাথে তাঁর ডিটেকটিভ কোম্পানির প্রথম এসাইনমেন্টেরও গন্ধ পেলেন, বন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা থেকেই তাঁর এই রহস্যময় মৃত্যুর তদন্ত দিয়ে নিজের গোয়েন্দা ক্যারিয়ারের শুরু করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিলেন। মৃত্যুর খবর পেয়েই এসিস্ট্যান্ট ভোলাকে প্রস্তুত হতে বলে নিজেও প্রস্তুত হয়ে নিলেন এক অজানা শত্রুর খোঁজের জন্য।

ছালু মিয়া প্রথমেই গেলেন তাঁর বন্ধুর লাশ দেখতে, আর ভোলাকে পাঠালেন ঘটনার স্থান অর্থাত সেই লোকাল বাসটিকে খুঁজে বের করতে যেটিতে মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটেছে। বুদ্ধিমান ভোলা মিয়ার একাজে তেমন বেগ পেতে হলনা, আজগর সাহেব যে বাসে চড়েছিলেন তা হল একটা ৬ নম্বর রূটের বাস। তিনি নতুন বাজার স্টপেজ থেকে গাড়িতে চড়েছেন আর পরের স্টপেজ অর্থাত শাহজাদপুরে তাঁর লাশ নামানো হয়েছিল। ভোলা যেই মুহুর্তে বাসটির খোঁজে বেরিয়েছে তার ঠিক আধঘন্টা আগে ঘটনাটা ঘটেছে । অতএব যানজটের যে অবস্থা তাতে অবশ্যই বাসটি এখনো দু স্টপেজ পার করে গুলশান লিংক রোড পার হতে পারেনি। যেই ভাবা সেই কাজ, শাহজাদপুর থেকে হেঁটে ভোলা দশ মিনিটের মধ্যে গুলশান এসে পৌছল, সেখানে এসেই বাসটি খুঁজে পেল। কন্ট্রাকটরকে জিজ্ঞেস করে বুঝল এটাই সেই ক্রাইম স্পট। অনেক কষ্টে ভীড় ঠেলে বাসের দরজা ধরে ঝুলে থাকার সুযোগ পেল ভোলা, পরের স্টপেজে কিছু যাত্রী নামলে সে বাসের ভেতরে ঢোকার সুযোগও পেল। উঠেই বাস থামানোর আদেশ দিল ড্রাইভারকে, এবং বিনিময়ে অন্য যাত্রীরা তাকে ঠেলে বাস থেকে নামিয়ে দিল।

ছালু মিয়া, ভোলাকে নিয়ে হেলিকপ্টার (তাঁর বিশেষ ধরনের পুরোন মোটর লাগানো বাই-সাইকেল, অবশ্যই এটি মাটিতে চলে, আকাশে নয়) নিয়ে প্রায় দুঘন্টা ধরে বাসটাকে নজর রাখলেন, কিন্তু পুরো রাস্তায় একবারও বাসটাকে খালি মনে হল না, তাই বাস থামানোর সাহসও পেলেননা। শেষে সিদ্ধান্ত নিলেন, রাতেই বাসে অভিযান চালানো হবে। ছালু মিয়া অফিসে ফিরে গেলেন, আর ভোলা শেষ পর্যন্ত বাসটাকে নজরে রাখল। এই লোকাল বাসগুলোকে রাতের বেলা রাখার জন্য কোন নির্দিষ্ট স্থান নেই, ড্রাইভাররা একেক বাস একেক জায়গায় রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে রাখে। এ বাসটাকে রাখা হয় মতিঝিলের আশপাশে একটা স্থানে। খোঁজ জেনে ভোলা ফিরে গেল ছালু মিয়ার অফিসে।

রাত দুটোর সময়, নিঝুম রাত। ছালু মিয়া আর ভোলা মিয়া তাঁদের প্রথম দু:সাহসিক অভিযানে বের হল। ভাগ্যিস রাতের বেলা বাসের এক স্টাফ বাসটাতে থাকলেও দরজা খোলা রেখেই আজ ঘুমিয়ে পড়েছে। অন্যদিন হয়তো দরজা বন্ধ করেই ঘুমোয়, কিন্তু আজ বাসে এক যাত্রী মরেছে, তাঁর আত্না হয়তো বাসের ভেতর ঘোরাঘুরি করছে এই ভয় তার মনে হয়তো রয়ে গেছে। হয়তো চিন্তা করে রেখেছে আত্নার খচখচ শব্দ শুনলেই দম বন্ধ করে দৌড় লাগাবে। কিন্তু ঘুমিয়ে পড়ার পর সব পরিকল্পনা এখন স্বপ্নের জগতেই বিচরন করছে, সারাদিন তো আর কম পরিশ্রম করেনি, এত সহজে ঘুম ভাঙবেনা তার। ভোলাকে পাহারায় রেখে ছালু মিয়া বাসে উঠে পড়লেন, ভাল করে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখলেন সবকিছু, কিন্তু অন্ধকার ছাড়া আর কিছু চোখে পড়ল না তার। যদিও অনেক প্রস্তুতি নিয়েই অভিযানে এসেছেন, কিন্তু শুধু টর্চটাই আনা হয়নি, সত্যি বলতে টর্চ এখনো কেনাই হয়নি, কিংবা কেনার কথা মাথায়ও আসেনি। এখন কি করবেন ঠিক করতে পারছেননা গোয়েন্দা ছালু মিয়া, মাথায় কোন বুদ্ধি আসছে না। হঠাতই বুদ্ধি খুলে গেল, খটাখট ক্যামেরাটা বের করে আন্দাজ করে ফ্লাশ দিয়ে অনেক গুলো ছবি তুলে ফেললেন। তারপর সব গুছিয়ে বাস থেকে নেমেই আঁচ পেলেন, সামনে বিপদ!

রাতে বাসের ভেতর আলোর ঝলকানি দেখেই টহলরত পুলিশের বাসটির প্রতি আগ্রহ তৈরী হল, তাই এগিয়ে এসেছিল এদিকে। তারপর কালো টি-শার্ট পড়ে চোরের মত এদিক ওদিক তাকানোয় ব্যস্ত ভোলাকে খুব সহজেই কাবু করে ফেলল তারা, আর ছালু মিয়াও সহজেই ধরা দিল। নাহ, ওদেরকে থানায় নিয়ে যায়নি পুলিশ, তারচেয়ে বেশি লাভজনক কাজটাই যা সচরাচর পুলিশ করে থাকে তা-ই করল। দুয়েকটা মারধর করে, তারপর হাত বেঁধে গাড়িতে চড়িয়ে কিছুক্ষন তাদের নিয়মিত টহল চালিয়ে গেল। ছালু মিয়া অবস্থার তাৎপর্য না বুঝলেও ভোলা ঠিকই তার করনীয় ঠিক করে ফেলল, পুলিশকে খুশি করে দিয়ে ছাড়া পাওয়ার ব্যবস্থাও করে ফেলল। তবে ক্যামেরাটা গচ্চা দিতে হল, তবে পুলিশের ঐ সদস্যগুলো দয়া করে ক্যামেরার মেমোরি কার্ড টা দিয়ে দিল। গোয়েন্দার দল কোনমতে হাঁফ ছেড়ে বাঁচল।

সকালে অফিসে এসেই ছবিগুলো প্রিন্ট করা হল, নেড়ে চেড়ে দেখা হল, কোনাকুনি করে দেখা হল, এমনকি টেবিলের নিচে আলো-আঁধারিতে নিয়ে গিয়েও দেখা হল, কিছুই বোঝা গেলনা। ছবিতে বাসের ভেতরের গায়ে স্টিকার দিয়ে লাগানো কিছু বিজ্ঞাপন, ১০০-৫০০ টাকা ভাংতি নাই বলে ঘোসনা ছাড়া ভৌতিক এমন কিছুই দেখা গেলনা যা দেখে কারো হার্ট-ফেল হবার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা রয়েছে। ভোলাকে ছালু মিয়া আজগর সাহেবের অফিসে পাঠিয়ে দিলেন। ভোলার দায়িত্ব হল আজগর সাহেবের গত কিছুদিনের মধ্যে অফিসে ঘটে যাওয়া বড় ঘটনা বা টাকা-পয়সার লেনদেন সম্বন্ধে জেনে আসা। সে দুপুরের মধ্যেই ফিরে এল কিন্তু জরুরি তেমন কোন তথ্য দিতে পারলনা। তবে জানা গেল যে, গত কিছুদিনে যদিও আজগর সাহেবের সাথে অফিসের কারো খুব উল্লেখযোগ্য কোন ঘটনা ঘটেনি, তবে অফিস থেকে তাঁকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল অফিসের ওয়েবসাইট ডেভলপমেন্টের বিষয়টি দেখার জন্য। সেই সাথে আরো জানা গেল যে, অফিস থেকে তিনি প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা নিয়ে ওয়েব সাইটটির ডেভলপার কোম্পানিকে পেমেন্ট করেছেন তাঁর মৃত্যুর ঠিক আগের দিন বিকেলে।

এবার আজগর সাহেবের পরিবারের সাথে একান্ত আলাপ করার জন্য ভোলাকে নিয়ে সন্ধ্যায় বেরুলেন ছালু মিয়া। কিছু উপহার সামগ্রী নিয়ে উপস্থিত হলেন সেখানে। তাঁর স্ত্রীর সাথে কথা বললেন, কিন্তু তাতে তেমন কোন গুরুত্বপূর্ন তথ্য বেরুল না। তবে ওয়েব সাইট সম্পর্কিত আরেকটি তথ্য পাওয়া গেল তাঁর সন্তানের কাছ থেকে। আজগর সাহেব যেদিন মারা গেলেন সেদিন সকালে তাঁর সদ্য কম্পিউটার প্রকৌশল গ্রাজুয়েট ছেলে কে জিজ্ঞেস করেছিলেন ছেলের ভবিষ্যত ক্যারিয়ার ভাবনা সম্বন্ধে। ছেলে উত্তরে বলেছিল যে, সে চায় ওয়েব সাইট ডেভলপমেন্ট নিয়ে কাজ করবে। শুনে তিনি খুশিই হয়েছিলেন, কেননা তার আগেরদিনই তো তিনি তাঁর অফিসিয়াল ওয়েব সাইটের জন্য আড়াই লাখ টাকা পেমেন্ট করেছেন। ছেলের পরিকল্পনাটা শুনে তাঁর ভাল মনে হল, তাঁর ছেলেও এরকম অনেক টাকা কামাই করবে, ভেবে মনে মনে খুশি হলেন, তারপর খুশিমনে ঘর থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন এবং বাসে উঠে হঠাত মারা গেলেন।

ছালু মিয়া সেরাতে আর ঘুমাতে পারলেননা, বিছানায় ছটফট করতে লাগলেন। ক্যারিয়ারের প্রথম এসাইনমেন্টটাই কেমন জটিল হয়ে গেল, মনে হচ্ছে গোয়েন্দাগিরি ব্যবসায় তাঁর ভবিষ্যত খুবই খারাপ। তারপর বিছানা থেকে উঠে গত রাতে তোলা ছবিগুলো নাড়া চাড়া করতে লাগলেন। একটা ছবিতে ছোট্ট একটা বিজ্ঞাপন চোখে পড়ল, আর তা দেখেই হঠাত তাঁর চোখে-মুখে আনন্দের ছাপ দেখা গেল, আবার সাথে সাথেই মিলিয়ে গেল। তবে, বাকিরাত আর মাথায় এ ব্যপারে কোন চিন্তা এলনা, ভালই ঘুম হল সকাল পর্যন্ত। পরদিন সকালে ছালু মিয়াকে খুশিমনে অফিসে ঢুকতে দেখেই ভোলা মিয়া বুঝে ফেলল যে, ওস্তাদ রহস্যের সমাধান পেয়ে গেছেন। তাই দুজনের জন্য চা নিয়ে ছালু মিয়ার টেবিলে এসে বসল ভোলা মিয়া, আর ছালু মিয়া অনেকটা ভারিক্কি চালে বলতে শুরু করলেন রহস্যের সমাধানটুকু। তবে ছালু মিয়া শুধু এইটুকু বের করতে পেরেছেন যে, কোন জিনিসটি দেখে আজগর সাহেবের হার্ট থেমে গিয়েছে, কিন্তু সে জিনিসটি দেখার পর তাঁর হৃদয়ে কি কারনে বিমর্ষতা দেখা দিয়েছিল তার দুটি কারন বের করা গেছে, কিন্তু সত্যিকার অর্থে কোনটি আসল কারন তা অজানাই থেকে যাবে আজীবন।

আজগর সাহেব সেদিন বাসে চড়ে রড ধরে দাঁড়িয়ে সামনে তাকাতেই একটা বিজ্ঞাপনে তাঁর চোখ পড়েছিল। সেই বিজ্ঞাপনে লেখা ছিল, “১৪০০ টাকায় ডোমেইন-হোস্টিং সহ ওয়েব ডিজাইন করা হয়”। এবং এটি দেখেই তিনি হার্টফেল করলেন। এটা দেখার পর তাঁর মাথায় দুটো বিষয় কাজ করতে পারে বলে ছালু মিয়া ধারনা করলেন, যার ফলে তিনি হৃদস্পন্দনের স্বাভাবিক গতি ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছিলেন, সে দুটি বিষয় হচ্ছে:

১. গতকাল তিনি আড়াই লক্ষ টাকা দিয়েছিলে একটা ওয়েবসাইট তৈরির জন্য। তিনি যদি সেখানে এত টাকা খরচ না করে বিজ্ঞাপনে প্রদর্শিত ঠিকানায় গিয়ে ওয়েবসাইট বানিয়ে নিতেন তবে তাঁর দু লক্ষ আটচল্লিশ হাজার ছয়শ টাকা লাভ হত। এতবড় ক্ষতির কথা তিনি সহ্য করতে না পেরে হার্টফেল করেছেন।

অথবা,

২. তাঁর ছেলেও তো ওয়েব সাইট ডেভলপার হতে চাইছে, তাঁর ছেলেকেও যদি ১৪০০ টাকায় ওয়েবসাইট বানাতে হয় তবে তো তার ভবিষ্যত নাই। প্রতিদিন যদি ছেলে একটা করেও ওয়েবসাইট ডেলিভারী দেয়, তাহলে তাঁর কম্পিউটার প্রকৌশলী ছেলেকে প্রতিদিন মাত্র ১০০ টাকা আয় করতে হবে। একটি ওয়েবসাইটের জন্য সে পাবে ১৪০০ টাকা যার মধ্যে ডোমেইন কেনার জন্যে তাকে ১০০০ টাকা আর হোস্টিং এর জন্য ধরা যাক ৩০০ টাকা খরচ করে ফেলতে হবে। তাহলে তার ছেলের সত্যিকারের আয় হবে দিনে ১০০ টাকা। এটা তো অশিক্ষিত মাটি কাটা শ্রমিকের আয়েও অর্ধেক। এত টাকা খরচ করে যে ছেলেকে কম্পিউটার প্রকৌশলী বানানো হল, তার অন্ধকার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই হয়তো আজগর সাহেব হার্টফেল করেছেন।


আজগর সাহেবের মৃত্যুরহস্য এভাবেই চিরকালের জন্য অর্ধ-মিমাংসীত রয়ে গেল। তবে তাঁর মত এভাবে যাতে আর কাউকে মরতে না হয় তার জন্যে অতি শিঘ্রই কোন একটা ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করছি।

Inspired by: Mohammad Sazzad Hossain

তবে মুনতাসীর রশীদ বিজ্ঞাপন দাতাদের প্রতি তাঁর সহানুভুতি জানিয়েছেন, এবং এই মৃত্যুর দায়ভার থেকে তাদেরকে সাধারন ক্ষমা দেবার ব্যাপারে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে একটি পত্র লিখে পানিতে ফেলে দেবেন বলে ঘোষনা দিয়েছেন।

Saturday, August 13, 2011

Awakening Records, legend in Hip Hop Islamic Nasheed Industry

Did you notice the music entertainment company Awakening Records. It is working from 2000 and now it is the giant in Islamic Song industry.

I downloaded some music videos from youtube of Maher Zain, one of the singers from this recording company. Then I studied online about it. But didn't found anything much. But I can guess something.

Sami Yousuf (Iranian UK citizen), Mesut Kurtis (Turkish Singer) and Nazeel Azami (Some one from Golam Azam Family) may be studied together any university in the department of music. They started to compose and product Islamic songs and step by step they made a bigger startup and named it awakening records. (It's my guess)

There are about seven or eight singers who sings for awakening and most of them are talented composer and singer and arranger of music production. The pioneer is Sami Yousuf, Mesut Kurtis, Nazeel Azami. But they gathered some other people from different parts of the world. Irfan Makki (Pakistani Canadian), Maher Zain (Swedish Lebanese).

The story behind awakening might be different like, some people tried to make a huge islamic song industry and then he managed these singers to sign in any contract to produce only islamic song. Sami Yousuf, Maher Zain, Irfan Makki started to sing song by usual songs before starting career. They were not such a strict Islam followers in nature as they sing before this career. Now Outlandish and other European different rap and r&b singers who are from some Muslim families are joining to them in different particular songs.

I am amazed about their branding, how did they do it? Another brand is coming front in this industry named "One true Media", may be it is another name of awakening or a different company.

Wednesday, June 8, 2011

অন্য ধর্মের আনুসারীদের ইলাহ নিয়ে ঠাট্টা মশকরা এবং গালি-গালাজ করাকে আল্লাহ নিষেধ করেছেন

আমরা মুসলিম। ইসলাম আমাদের ধর্ম। পবিত্র কুরআন আমাদের ধর্মগ্রন্থ এবং এটি সরাসরি সর্বশক্তিমান আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হয়েছে। মুসলিমদের জীবন যাপনের প্রতিটি অংশের উপর আল্লাহর বেছে দেওয়া পদ্ধতি রয়েছে। মুসলিম হিসেবে আমরা বিশ্বাস করি আল্লাহ এক এবং অদ্বিতীয়। আল্লাহ তায়ালার কোন স্ত্রী নেই সন্তান নেই। অপর দিকে অন্য বেশিরভাগ ধর্মেই তাদের একাধিক ইলাহ রয়েছে। একাধিক ইলাহর ইবাদতকে আমরা শিরক বলি। অন্য অনেক ধর্মের লোকেরা তাদের ইলাহকে মূর্তি বানিয়ে ইবাদত করে। আমরা জানি, এবং বিশ্বাস করি, যেখানে মূর্তিটির নিজের উপরই নিজের কোন ক্ষমতা নেই সেখানে তার পূজারীদের উপর সে কেমন করে ক্ষমতা দেখাবে। কুরআন আমাদের কে এমন করেই শিরক থেকে বিরত থাকার কারন শিখিয়ে দিয়েছে। তবে কুরআন আরো শিক্ষা দিয়েছে যেন আমরা অন্য ধর্মের ইলাহ দের নিয়ে ঠাট্টা মশকরা কিংবা গালি-গালাজ না করি। কেননা, প্রত্যেক ধর্মের মানুষই তাদের নিজেদের ধর্ম এবং বেছে নেওয়া পথকে নিজের জন্যে শোভন মনে করে। আমরা যদি তাদের ধর্ম এবং ইলাহ নিয়ে গালি-গালাজ করি তবে, তারাও হয়ত নিজেদের শিরক থেকে আরেকটু অগ্রসর হয়ে আমাদের একমাত্র ইলাহ সর্বশক্তিমান আল্লাহকে নিয়ে গালি-গালাজ করবে। অন্যের ইলাহের প্রতি আমাদের গালি-গালাজ মূলত পরোক্ষভাবে আল্লাহকে গালি দেয়ার কারনে পরিণত হবে। এবং এ গালির জন্যে মূলত আমরা নিজেরাই দায়ী হব। তাই আমাদেরকে এহেন আচরন থেকে বিরত থাকা উচিত। কুরআনের সূরা আনআমের ১০৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেছেন,

﴿وَلَا تَسُبُّوا الَّذِينَ يَدْعُونَ مِن دُونِ اللَّهِ فَيَسُبُّوا اللَّهَ عَدْوًا بِغَيْرِ عِلْمٍ ۗ كَذَٰلِكَ زَيَّنَّا لِكُلِّ أُمَّةٍ عَمَلَهُمْ ثُمَّ إِلَىٰ رَبِّهِم مَّرْجِعُهُمْ فَيُنَبِّئُهُم بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ﴾
অর্থ: আর ( হে ঈমানদারগণ!) এরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদেরকে ডাকে তোমরা তাদেরকে গালি দিয়ো না৷ কেননা, এরা শিরক থেকে আরো খানিকটা অগ্রসর হয়ে অজ্ঞতাবশত যেন আল্লাহকে গালি দিয়ে না বসে৷ তো এভাবে প্রত্যেক জনগোষ্ঠীর জন্য তাদের কার্যক্রমকে সুশোভন করে দিয়েছি৷ তারপর তাদের ফিরে আসতে হবে তাদের রবের দিকে৷ তখন তিনি তাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে তাদেরকে জানিয়ে দেবেন৷